Rohingya Crisis: Sluggishness of International Community and Geopolitical Stalemate

3219

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি, কেননা এই সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা বেশ স্পষ্ট। পাশাপাশি এই সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশগুলোর মাঝে যে ভূরাজনৈতিক ভাবনা কাজ করছে বা করেছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আর সেই কারণে দেখা যাচ্ছে, সেই ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের প্রতি দেখিয়েছেন মমত্ববোধ ও সহমর্মিতা। তবে ধীরে ধীরে এই সমস্যা হয়ে উঠেছে আরও জটিল। যা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। অপরদিকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিজের দেশে ফেরত গিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাওয়ার যে অবস্থা তা নিশ্চিত হয়নি। আর তাই রোহিঙ্গা সমস্যার বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রথমত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল সর্বোচ্চ্য পর্যায়ের। বাংলাদেশ চূড়ান্ত রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছে এই সংকট নিরসনে। একদিকে যেমন নিপীড়িত-নির্যাতিত একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে পালন করেছে এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দায়িত্ব, অন্যদিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দ্বিপাক্ষিক থেকে শুরু হয়ে বহুপাক্ষিক পর্যন্ত ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। জাতিসংঘ ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সদিচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশ এখনো কাজ করে যাচ্ছে এই সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি-প্রত্যাবাসন নিয়ে। বাংলাদেশ তার সীমিত সম্পদ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করছে, পাশাপাশি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানেও তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে, যেখানে মূল লক্ষ্য সম্মানের সঙ্গে তাদের জন্মভূমিতে প্রত্যাবাসিত করা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো গণহত্যা ও নির্যাতনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে চলমান বিচারের ব্যাপারেও চালিয়ে যাচ্ছে কূটনৈতিক তৎপরতা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সেই ২০১৭ সাল থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রতি অধিবেশনেই তার মূল্যায়ন উপস্থাপন করে আসছেন। তার দেওয়া পাঁচ দফা যদি বিশ্ব সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করত কিংবা মিয়ানমার যদি বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার বাস্তবায়ন ঘটাত তবে হয়তো আজ এই সংকট বিদায় নিত এই অঞ্চল থেকে। বাংলাদেশের এই কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান। রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তার মাত্রাও দিনে দিনে বৃদ্ধি করেছে। যেমন ভাসানচরে তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আশ্রয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত এই সংকট সমাধানে যার ভূমিকা সব থেকে বেশি প্রয়োজন অর্থাৎ মিয়ানমার, যারা এই সংকট তৈরি করেছে, সেই রাষ্ট্রের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাদের অসহযোগিতামূলক মনোভাব পরিষ্কার। এত বছর পার হওয়ার পরও, বিশেষ করে ২০২১-এর পর থেকে ক্ষমতা দখলকারী মিয়ানমার জান্তা সরকার এই সংকট সমাধানে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, বরং চলমান প্রক্রিয়াকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। তাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপকে অগ্রাহ্য করার ভয়ঙ্কর প্রবণতা সমগ্র বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। এই উদ্ধত আচরণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার প্রয়োজন ছিল। যেখানে মানুষের ন্যূনতম অধিকার চর্চার সুযোগ নেই, চলছে গৃহযুদ্ধ, জিইয়ে রেখেছে রোহিঙ্গা সংকটের মতো মারাত্মক এক সমস্যাকে- সেই রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশকে করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত কূটনৈতিক দরকষাকষি।

তৃতীয়ত প্রাথমিক অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেশ ইতিবাচক অবস্থান ও সাড়া লক্ষণীয় ছিল। গণহত্যার সঙ্গে মিয়ানমারের জান্তা কর্তৃক সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে তুলনা করে এই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েই। “Textbook Case of Ethnic Cleansing” বলে সম্বোধন করা হয় মিয়ানমারের নৃশংসতাকে। শুরু থেকে জাতিসংঘ একটি শক্ত অবস্থানে ছিল। সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কিছু পশ্চিমা দেশ এটিকে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করেছে। তবে এই সংকট নিরসনে যে ধরনের দৃঢ়তার দরকার ছিল সেটি দেখা যায়নি। বেশ কিছু পশ্চিমা দেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি গণহত্যার স্বীকৃতি এবং জান্তাবিরোধী বক্তব্য প্রদান করলেও তা সমগ্র সংকট নিরসনে যথেষ্ট ছিল না। বরং কিছু ক্ষেত্রে, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির মতো ঘটনা সামনে আসে। ডিরেক্টরেট অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিআইসিএ) প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে মিয়ানমারে বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল ২.২ বিলিয়ন ডলার। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মিয়ানমার ৫.৫২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক বিনিয়োগের অনুমতি দিয়েছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মিয়ানমার ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক বিনিয়োগের অনুমতি দিয়েছে।

এই সংকট পর্যালোচনায় আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে মিয়ানমার বা দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর, এই অঞ্চলে ভারত ও চীনের রয়েছে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে বিশেষ প্রভাব। সঙ্গে দেখা মিলবে আসিয়ানের একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে চীন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পরও মিয়ানমারের সরকারের পক্ষে অবস্থান বজায় রেখেছে। চীন এবং রাশিয়ার বিরোধিতার কারণে নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক প্রস্তাব গৃহীত হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি মিয়ানমার সরকারের পক্ষে সমর্থন দেখা যায় এই আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কাছ থেকে। ফলে আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটও অনেকটাই প্রতিকূলে এই সংকট সমাধানে। ঐতিহাসিকভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সুসম্পর্ক রয়েছে। মিয়ানমার এবং জাপান দীর্ঘদিন ধরে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।

এই যখন অবস্থা, ছয় বছর পেরিয়েছে এই সংকটের, তখন এই সংকটের দুটি নতুন দিক সামনে আসে। একটি হচ্ছে, এই সংকট এখন আর বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। রোহিঙ্গাদের নানা তৎপরতার কারণে এই অঞ্চলে তৈরি হয়েছে এক ধরনের অস্থিরতা। ক্যাম্পে দেখা যাচ্ছে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য দেখা দিয়েছে হুমকি। যেহেতু এই অঞ্চল ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, অর্থনৈতিক কর্মকা- ও আন্তঃযোগাযোগ বিদ্যমান বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীনের মাঝে, এরকম এক অবস্থায় ১২ লাখ বঞ্চিত সংক্ষুব্ধ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ধীরে ধীরে তৈরি করছে এক ভয়াবহ সংকটময় পরিস্থিতি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমনকি জাতিসংঘেও একাধিকবার এই অবস্থার কথা তুলে ধরে বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন; নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখানে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, যেখানে জঙ্গিবাদের মতো বিষয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিলম্বের কারণে এসব আরও ঘনীভূত হচ্ছে, যা দাবি রাখে বিশেষ বিবেচনার।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, যদিও বাংলাদেশ এই নির্যাতিত জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দানের সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়েছিল, তবে এর মাত্রা দিন দিন ব্যাপক ও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। এক বড় রকমের জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের মাঝে তৈরি হচ্ছে হতাশা ও ক্ষোভ, কেননা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা আশা করা হচ্ছিল, সেই পরিমাণ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণ তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে খেয়েছে খাবার, তাদেরকে সাহায্য করেছে আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার কারণেই সমাধান হচ্ছে না এই সংকটের। স্থানীয় জনগণ শিকার হচ্ছে বেকারত্বের। ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য তৈরি হওয়া বাজার সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতিতে। রোহিঙ্গাদের অপরাধ প্রবণতার বিষয়টি তো রয়েছেই। তাই এটি বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম নিরাপত্তা হুমকি। মিয়ানমার গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেলের অংশ হওয়াতে আর তার ওপর রোহিঙ্গাদের নানাবিধ তৎপরতার কারণে বেড়েছে মাদকের অপতৎপরতা। অনেকে জান্তা সরকারের সঙ্গে এই মাদকের সংশ্লিষ্টতার কথা বলে থাকেন।

ফলে বাংলাদেশের জন্য যে নতুন ধরনের অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণের মাঝে যে বঞ্চনা ও ক্ষোভের বিস্তার, এই বিষয়গুলোকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। সেই প্রেক্ষাপটে এই জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবস্থান পরিবর্তন খুব সহজ হবে না, বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে অন্তত তাই বলা যায়। তবে রোহিঙ্গাদের বিষয়টি যতটা মানবিক ও জরুরি ছিল এবং যেখানে রোহিঙ্গাদের বলা হয় বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠী- তাদের বিষয়টিকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া দরকার ছিল, সেই ধরনের তৎপরতা আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দেখা যায়নি। তারপরও আমরা আশা রাখতে চাই তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে। আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে চীন ও ভারত আরও তৎপর হবে। আসিয়ান আরও শক্তিশালী অবস্থান প্রকাশ করবে। যদিও আসিয়ানের ভুমিকাকে জান্তা সরকার ততটা গুরুত্ব সহকারে আমলে নিচ্ছে না। তবে লক্ষ রাখতে হবে, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এক গুণগত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনায় কিছু বিষয় লক্ষণীয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশে পশ্চিমা বিশ্বের নীতিনির্ধারকরাসহ শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিগণ সম্প্রতি রোহিঙ্গা শিবিরগুলো সফর করেছেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছেন, দেখেছেন রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার অবস্থা। রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ যে নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ঝুঁকি নিয়েছে তার শুধু মৌখিক স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে যথেষ্ট নয় বরং এর জন্য প্রয়োজন সাহায্য যা ত্বরান্বিত করবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্যকে। এখানে একটি বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করার কারণেই মিয়ানমার তাদের দেশের নাগরিকদের নাগরিকত্বহীন করার পরও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনো ধরনের প্রতিবাদ বা পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এই অ্যাপারথেইড বা বর্ণবাদী আচরণ যা দশকের পর দশক ধরে সেখানে বিদ্যমান তা প্রতিকার করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক কঠিন পরিস্থিতির মাঝে নিপতিত এই রোহিঙ্গা সমস্যা। কিছু তৎপরতা শুরু হলেও সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে অনেক। ভূরাজনীতি গুরুত্ব পাচ্ছে, যেখানে মানবতা হচ্ছে উপেক্ষিত। যা কখনোই কাম্য নয়। আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক শক্তিগুলো যারা মিয়ানমারের জান্তা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারবে তাদের আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে আশা উচিত। বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিষয়টি তখনই ফলপ্রসূ হবে, আর মানবতার জন্য কলঙ্কজনক এই অধ্যায়ের সমাপ্তি সম্ভব হবে।

– ড. দেলোয়ার হোসেন: অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; প্রেষণে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সদস্য হিসেবে নিয়োজিত।

সাম্প্রতিক দেশকালে প্রকাশিত [লিংক]