Seminar on “China in South Asia” in Dhaka

144

কেআরএফ সেন্টার ফর বাংলাদেশ অ্যান্ড গ্লোবাল আফেয়ার্স (সিবিজিএ) এর উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চীন’ বিষয়ক সেমিনার– ‘হাউ চায়না অ্যানগেজ সাউথ এশিয়া: থিমস, পার্টনারস অ্যান্ড টুলস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ঢাকায় সিবিজিএ কনফারেন্স অ্যান্ড ডায়ালগ রুমে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের ‘মূল উপস্থাপনা’ প্রদান করেন ‘সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক প্রোগ্রেস (সিএসইপি), নয়াদিল্লি, ভারত’-এর প্রখ্যাত দুই পণ্ডিত কনস্টান্টিনো জেভিয়ার এবং জেবিন টি. জ্যাকব।

সেমিনারে বাংলাদেশসহ আটটি কেস স্টাডির ভিত্তিতে ভারতের সিএসইপি পরিচালিত দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ভূমিকার ওপর একটি গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।

সেমিনারে বক্তারা শিক্ষা, জন-কূটনীতি, প্রযুক্তি, সোশ্যাল মিডিয়া, সিভিল সোসাইটি, দলীয় রাজনীতি, ধর্ম এবং শাসনসহ বিভিন্ন প্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

চীন কয়েক দশকের সীমিত সম্পৃক্ততার পরে ভারত এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে দ্রুত গভীর সম্পর্ক স্থাপন ও বৈচিত্র্যময় করেছে বলে উপলব্ধি জানান সেমিনারের মূল বক্তারা।

চীনের উদ্দেশ্য ‘টু-ফোল্ড’ উল্লেখ করে তারা বলেন, যেসব নীতি চীনের অনুকূলে যায়, চীন সেগুলোকে উৎসাহিত করে এবং যেগুলো তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, সেগুলোর বিরুদ্ধে যায়।

চীন দক্ষিণ এশিয়ার সাথে বাণিজ্য এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের বাইরেও ক্রমশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে বলেও সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেন।

সেমিনারের সভাপতি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়া বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে যেখানে চীন ও ভারত উভয়েরই গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা উচিত। এই অঞ্চলে ‘উয়িন-উয়িন’ পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য ‘এনগেজমেন্টই’ হল সর্বোত্তম পন্থা। চীনের মতো বৃহৎ শক্তির ‘এনগেজমেন্ট’ ব্যাখ্যার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার ‘অনন্য অবস্থান’ বুঝতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় ‘জ্ঞানী সম্প্রদায়’ এর মধ্যে আরও বেশি বিনিময় এবং মিথস্ক্রিয়া হওয়া উচিত বলে যুক্তি দেন অধ্যাপক দেলোয়ার।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী, বিআইআইএসএস এর জনাব আবু সালাহ মো. ইউসুফ, আইনুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, রাষ্ট্রদূত একেএম আতিকুর রহমান, রাষ্ট্রদূত শহিদুল হক, মইনুল আলম এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দিন বক্তব্য রাখেন।

ঢাকা টাইমসে প্রকাশিত [লিংক]