Anarchy in Rohingya Camps and Its Impacts on Regional Security

241

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর জান্তাবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও রক্তপাত মিয়ানমারকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে। গত পাঁচ বছর ধরে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়াতে রোহিঙ্গাদের হতাশা ক্রমে তীব্র হচ্ছে এর ফলে নানা ধরনের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকট ধীরে ধীরে বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে উঠছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানান যে এই সমস্যা এখন আর বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এটা এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি এই এলাকার পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাও ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।

উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তায় তাদের জন্য খাবারসহ মানবিক সেবা দেওয়া হচ্ছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তরুণদের মধ্যে ইয়াবার চালান আনার প্রবনতা রয়েছে কারন এই কাজে ভাল টাকা পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ক্যাম্পবন্দি থাকার কারণে হতাশা থেকে মুক্তি, পেতে তারা অর্থ উপার্জনকে অগ্রাধিকার দেয়। ঝুঁকি নিয়ে মাদক বা ইয়াবার চালান এনে অনেকে ভাল ভালো জীবন যাপন করছে দেখে অন্যরাও সেই কাজে আগ্রহী হয়।অনেকে এ ধরনের কাজ থেকে টাকা জমিয়ে অবৈধ ভাবে বিদেশ পাড়ি দেয়। ক্যাম্পে বসবাসকারী এই বিশাল জনগোষ্ঠীর তরুণরা বৈধভাবে কোনও কাজ করার সুযোগ না পাওয়াতে তারা বিভিন্ন দল উপদলে ভাগ হয়ে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ব্যবসা বাণিজ্যের পথে পা বাড়ায়। বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যেকার পথগুলো সম্বন্ধে ভাল জানাশোনা থাকায় অসৎ ব্যবসায়ীরা তাদেরকে চোরাচালানের জন্য ব্যবহার করে।

প্রত্যাবাসনের বিলম্বের কারনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তায় ঝুঁকি বেড়েই চলছে। গত ৫ বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্ত্র, মাদক, ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি, পুলিশের ওপর হামলা, হত্যা ও মানব পাচারসহ নানা অপরাধে ২ হাজার ৪৩৮টি বিভিন্ন ধরনের মামলা হয়েছে। ক্যাম্পের মধ্যে এসব হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা নেতা ও স্বেচ্ছাসেবকরা। কক্সবাজার জেলা পুলিশের তথ্য থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১২৫টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

২০২১ সালে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখা রোহিঙ্গাদের অন্যতম শীর্ষ নেতা মহিবুল্লাহকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়। ক্যাম্পে প্রত্যাবাসনের পক্ষে কাজ করা রোহিঙ্গা নেতারা সন্ত্রাসীদের মুল লক্ষ্য এবং তাদেরকে তারা পরিকল্পিতভাবে সুযোগ পেলেই হত্যা করছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি বা নেতা ও স্বেচ্ছাসেবক যারা প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে ও প্রত্যাবাসনের পক্ষে কথা বলে তাদেরকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা হত্যার জন্য টার্গেট করে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কারণে ক্যাম্পে বসবাসকারী সাধারণ রোহিঙ্গারা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। ক্যাম্পে মাদক-অপহরণসহ নানা অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করলে কিংবা কোনো মামলার সাক্ষী হলেই সন্ত্রাসীরা সেসব রোহিঙ্গাদেরকে টার্গেট করে ও তারা নানা ধরনের হয়রানীর শিকার হয়। আশ্রয় শিবিরগুলো পাহাড়বেষ্টিত হওয়ায় খুনিরা খুন করে সহজে আত্মগোপন করতে পারে। ক্যাম্পে মাদক ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিরোধসহ নানা কারণে দুর্বৃত্তরা হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। পাশাপাশি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য প্রদান বা তাদের অপরাধ কার্যক্রমের জন্য কাউকে বাধা মনে করলে তাকে ও প্রতিপক্ষ হিসেবে টার্গেট করে খুন করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার, গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব, অপরাধ সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণসহ ২৫ কারণে নিজেদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ এর মধ্যে প্রধান কয়েকটা হল, প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব, আর্থিক লেনদেন, প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার উসকানি, মানসিক অস্থিরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ, নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার দ্বন্দ্ব, যোগ্য নেতৃত্বের অভাব, বেকারত্ব, মাদক ব্যবসা, মানব পাচার ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, জঙ্গি সংগঠনের কর্তৃত্ব নিয়ে টার্গেট কিলিং, বাদী হয়ে মামলা দায়ের, মামলার সাক্ষী হওয়া ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সহায়তা করা ইত্যাদি। এসব কারনে কমপক্ষে ১২৫ জন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে। ইয়াবা ও আইসের কারবার নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্রগোষ্ঠী মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলি, খুন ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে।ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে মনে করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে ক্যাম্পগুলোতে ১৪টির ও বেশি সন্ত্রাসী বাহিনী আছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক চোরাচালান ঘিরে বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী তৎপর। মিয়ানমার সীমান্ত থেকে অস্ত্র, মাদক সরবরাহ করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সক্রিয় রাখছে। ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৮০০ আখড়ায় মাদকদ্রব্য কেনাবেচায় জড়িত অন্তত পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা।মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যের যোগসাজশে রোহিঙ্গারা সেখান থেকে ইয়াবা ও আইসের বড় চালান আশ্রয়শিবিরগুলোতে নিয়ে আসে। সীমান্তপথের ৩৩টি চোরাই পথ দিয়ে ইয়াবা ও আইসের বড় চালান ক্যাম্পে ঢুকছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে দেশে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার মাদক আসে এবং এর ৭০ শতাংশ ইয়াবা, এখন ইয়াবার বদলে আসছে আইস নামের মাদক। সম্প্রতি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মতে, যত মাদক বিক্রি হয় তার মাত্র ১০ শতাংশ ধরা পড়ে। মিয়ানমারে ইয়াবা তৈরির কারখানা আছে ২৯টির বেশি। এসব কারখানায় উৎপাদিত ইয়াবার সিংহভাগ পাচার হয় বাংলাদেশে। গত পাঁচ বছরে আশ্রয়শিবিরে মাদক কারবারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজারের মতো। বাংলাদেশে ইয়াবার পাচার, মাদকসংক্রান্ত সহিংসতা, বন্দুকযুদ্ধ ও অবৈধ অস্ত্রের প্রাপ্যতা বেড়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন ৭০ লাখ ইয়াবা বিক্রি হয়, যার আর্থিক মূল্য ২১০ কোটি টাকার মতো। মিয়ানমারের শান প্রদেশ থেকে মাদক ইয়াঙ্গুনে আসে, সেখান থেকে সিতওয়ে, মংডু হয়ে কক্সবাজার ও বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গায় পৌঁছায়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারনে প্রায়ই গোলাগুলি এবং খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে। রোহিঙ্গারা যদি এভাবে এখানে আরও কয়েক বছর থাকে তাহলে স্থানীয়দের জীবন হুমকির মুখে পড়বে। কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়ার মাদক ও চোরাকারবারিরা অনেকেই মাদক, ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে রোহিঙ্গাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রা নিরাপত্তার হুমকিতে রয়েছে, স্থানীয়রা তাদের সন্তানদের নিয়ে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতিতে থাকে কারন তাদের সামনে সবসময় অবৈধ কাজের টোপ থাকার ফলে যেকোন সময় তারা বিপথে চলে যেতে পারে।

যতই দিন যত যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা ততই বাড়ছে। অনেকের মতে এই সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর পেছনে মিয়ানমারের ইন্ধনও রয়েছে। মিয়ানমার থেকে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সহযোগিতাও করা হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার। এর বিকল্প হিসেবে সাময়িকভাবে রোহিঙ্গাদেরকে ভাসানচর বা অন্য কোনো জায়গায় সরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। রোহিঙ্গাদের কারনে দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার এবং আশপাশের এলাকাগুলো নিরাপত্তার হুমকিতে রয়েছে। দীর্ঘদিন রোহিঙ্গারা একই জায়গায় থাকলে কক্সবাজারসহ পুরো পার্বত্য এলাকা হুমকির মুখে পড়বে এবং এই এলাকা অপরাধের ঘাঁটিতে পরিণত হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিক্তিক বেশিরভাগ সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিদের যোগাযোগ রয়েছে বলে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তথ্য রয়েছে। ক্যাম্পের পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য সন্ত্রাসী গ্রুপকে কোটি কোটি টাকার ইয়াবা সরবরাহ করছে মিয়ানমার। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এসব সংঘাত ও খুনোখুনির ঘটনাগুলোর মাধ্যমে মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে বোঝাতে চাচ্ছে যে রোহিঙ্গারা উগ্র প্রকৃতির ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী। অথচ অনেকের মতে তাদেরই পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ক্যাম্পগুলো সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ক্যাম্পগুলোতে ৩২টি সন্ত্রাসী গ্রুপ ও উপগ্রুপ সক্রিয় এবং অনেকের মতে মিয়ানমার থেকে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়। এসব সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমার সরকার। মিয়ানমার চায় না যে রোহিঙ্গারা সংঘবদ্ধ হোক, কারন এর ফলে প্রত্যাবাসনের জন্য চাপ তৈরি হবে ও রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে চাইবে। বিশ্বের দরবারে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী হিসেবে তুলে ধরা, আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাধাগ্রস্ত করতে চায় মিয়ানমার।

মিয়ানমারে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে অপরাধ ও মানব পাচারের ঘটনা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।মিয়ানমার ও বাংলাদেশের উপকূল থেকে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশীদের মানব পাচার এখন একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠেছে। মিয়ানমার থেকে অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে অবৈধভাবে মেথামফেটামিন বা ইয়াবা পাচার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা ফিরে না আসলে সংগঠিত অপরাধ দেশের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়বে এবং ক্রমবর্ধমানভাবে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা হুমকির সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলা করছে এবং এখন পর্যন্ত ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে ধীরে ধীরে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর চাপ ফেলবে যা মোটেও কাম্য নয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চলমান ঘটনাগুলো, এর কারন এবং এর সাথে জড়িত সবপক্ষের হালনাগাদ তথ্য নিয়মিতভাবে তুলে ধরতে হবে। দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জনমত গড়ে তুলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতা নিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

– ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) হাসান মোঃ শামসুদ্দীন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এম ফিল, মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক (সিবিজিএ)।

সারাবাংলা তে প্রকাশিত [লিংক]