Myanmar Should be Stabilized Through Dialogue, Not Conflict

216

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো মিয়ানমার। চলমান সেনাশাসনের অবসান ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষে বিক্ষোভকারীরা পথে নামে। অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন-বিক্ষোভ শুরু করে দেশটির গণতন্ত্রকামী শক্তি ও সাধারণ জনগণ। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) গঠন করার পর তাঁদের সমর্থন করতে সারা দেশের গণতন্ত্রপন্থিদের সংগঠিত করে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) গঠন করা হয়। গণতন্ত্রকামীদের ওপর সামরিক বাহিনী যখন দমন পীড়ন শুরু করে, তখন তাদের অনেকে দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে তারা জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে সহায়তা ও সামরিক প্রশিক্ষণ নেয়া শুরু করে। পিডিএফ মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং গ্রামগুলোতে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ২০২১ সালের অক্টোবরের মধ্যে দেশের প্রায় সব শহর এলাকায় নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে। মিয়ানমারের আরাকান, কাচিন, কারেন, শান এবং ওয়া বাহিনীর মতো ১১টি জাতিগত গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগ দিয়ে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে সামরিক অভিজ্ঞতা লাভ করছে পিডিএফের যোদ্ধারা।

মিয়ানমারের জাতি গোষ্ঠীর সশস্ত্র গ্রুপগুলো এর আগে আলাদাভাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমন পরিচালনা করত। বর্তমানে তাঁরা  পি ডি এফ এর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমন পরিচালনা করছে। সামরিক সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সাথে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সশস্ত্রবাহিনী এবং পিডিএফ-এর মধ্যে প্রায় ২৮০০ বার সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়েছে। এনইউজি’র অনুগত পিডিএফ ও এথনিক রিভল্যুশনারি অর্গানাইজেশনের (ইআরও) যোদ্ধারা গত এক বছর ধরে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশের অর্ধেকের বেশি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে।

মিয়ানমার সামরিক বাহিনী সারাদেশে পি ডি এফ এবং জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলির দ্বারা প্রতিদিন আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে।  মিয়ানমার সেনাবাহিনী এখন আরাকান আর্মির (এ এ) পাশাপাশি কাচিন, শান, কারেন, চিন এবং কায়া জনগোষ্ঠীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে।  মিয়ানমারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কায়াহ রাজ্যে ২০২১ সালের মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত গেল ১৫ মাসে পি ডি এফ যোদ্ধাদের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষে দেশটির দেড় হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। একই সময়ে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন দেড় শতাধিক পি ডি এফ যোদ্ধা। অভ্যুত্থানের পর সামরিক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে মিয়ানমারে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি নিহত, প্রায় ১৫ হাজার মানুষ গ্রেফতার ও ২৮০০০ বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। জান্তা ও সেনাশাসনবিরোধীদের সংঘর্ষ এবং সামরিক অভিযানের কারণে দেশটিতে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী এখন  ত্রিমুখী প্রতিরোধের মুখে রয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপ, সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে যুদ্ধ এবং নিজস্ব ভামার গোত্রের সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে তাঁরা দেশটির উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ স্থাপনের জন্য লড়াই করছে।

ইতিপূর্বে সেনাবাহিনীর নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার ছিল ক্ষুদ্রজাতি গোষ্ঠীর মানুষেরা। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভামার সম্প্রদায় এই সংঘর্ষে যুক্ত ছিল না। ২০২১ সালে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহনের পর সংখ্যাগুরু ভামার জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি সংখ্যালঘু জনগণের বিরুদ্ধে যে সংঘাত চলছে তা মিয়ানমারের ইতিহাসে আগে দেখা যায়নি। বর্তমানে মিয়ানমারের জনগণ সেনাবাহিনী রচিত সংবিধানে ফিরে যেতে চাচ্ছে না। ফলে তারা সারা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ও আন্দোলন করতে শুরু করে। এই বিক্ষোভে যুক্ত হয়  তরুণ জনগোষ্ঠী এবং গণতান্ত্রিক সরকারের কর্মীরা। সাধারণ জনগণের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাঁরা সেনাশাসনের বিরুদ্ধে তাঁদের আন্দোলন বেগবান ও সংগঠিত করে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী দেশের ভেতর তিনটি সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে। এগুলো হলো- এ এ,  ওয়া আর্মি ও কাচিন ইনডিপেন্ডেন্ট আর্মি। এই তিন সশস্ত্র সংগঠন  ‘নর্দান অ্যালায়েন্স’ নামে পরিচিত ছিল, বর্তমানে নর্দান অ্যালায়েন্স নাম বদলে ‘ফ্রেন্ডশিপ অ্যালায়েন্স’  হয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার শুরুর পর গণতন্ত্রকামী বিভিন্ন শক্তিও নিজেদের মধ্যে সংগঠিত হওয়া শুরু করে। নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষে রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং ওয়া রাজ্যের ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির শীর্ষ নেতারা সাক্ষাৎ করেছেন। বর্তমানে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।

২০১৭ সালের পর প্রায় দুই বছর এ এ’র সাথে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষ চলে। ২০১৯ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এ এ’র সাথে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধ বিরতি বজায় রেখেছিল।২০২১ সালে সামরিক সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর রাখাইন প্রদেশে আপাত শান্তি বিরাজ করছিল। যুদ্ধ বিরতি কালে সীমান্ত এলাকায় এ এ শক্তি সঞ্চয় করে এবং রাখাইনে তাঁদের অবস্থান সুসংহত করে। সম্প্রতি এ এ’র সদস্যরা সীমান্তের কাছে মিয়ানমার আর্মির কয়েকটা অবস্থানের ওপর আক্রমণ করে এবং এরপর সামরিক বাহিনীর সাথে তাঁদের লড়াই শুরু হয়। এ এ’র বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর আক্রমন শুরু হওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী ওয়া আর্মি ও কাচিন আর্মি এ এ কে সহযোগিতা করে। মিয়ানমার সশস্ত্রবাহিনী এবং এ এ’র মধ্যে মংডু, বুথিডং, রাথিডং, ম্রাউক-উ এবং পালেতোয়া এলাকায় প্রচণ্ড সংঘর্ষ চলছে। দেশটিতে চলমান সহিংসায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে ।

সশস্ত্র প্রতিরোধ মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সামরিক বাহিনীকে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। স্বাধীন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল স্পেশাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল ফর মিয়ানমারের পক্ষ থেকে জানা যায় যে,  মিয়ানমারের কেবল ১৭ শতাংশ এলাকা সামরিক বাহিনীর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে। বাকি অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হয় প্রতিযোগিতা চলছে, নয়তো তা জান্তাবিরোধীদের দখলে। অভ্যুত্থানের পর থেকে মোট সাতটি অঞ্চলে- কাচিন, কায়াহ, কায়িন, চিন, রাখাইন এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের রাজ্য ম্যাগুয়ে এবং সাগাইং অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সাথে সশস্ত্র দলগুলোর ব্যাপক সংঘর্ষ হচ্ছে। চিন প্রদেশ থেকে মিজোরামে প্রায় প্রতিদিন শরণার্থী আসছে এবং এর মধ্যে চিন ও আরাকানের প্রায় ৩০ হাজার শরণার্থী সেখানে আছে বলে অনুমান করা হয়। সাগাইং অঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হামলার পর সেখানকার পাঁচটি গ্রামের কয়েক শত বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

এসব রাজ্যের মধ্যে চিন, কায়াহ, ম্যাগুয়ে এবং সাগাইং রাজ্যে কোনো সংঘাত ছিল না।  বর্তমানে এসব অঞ্চলেও সেনাবাহিনী বিরোধীদের দমন করতে ব্যাপক শক্তি ব্যবহার করছে। মিয়ানমারের কোনো কোনো অঞ্চলে একাধিক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে হচ্ছে সামরিক জান্তাকে। এই মুহূর্তে চারটি রাজ্যে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘাত তীব্র রূপ নিয়েছে। এর মধ্যে রাখাইন অন্যতম, এবং এই সহিংসতার ছোঁয়া এসে লেগেছে বাংলাদেশেও।  বাংলাদেশের ঘুমধুম ও উখিয়া সীমান্ত এলাকায় অব্যাহত গোলাগুলির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে গোলা পড়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কয়েকবার সতর্ক করেছে।

বর্তমানে উত্তর রাখাইন রাজ্য, চিন রাজ্য, শান ও কাচিন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা ভারী অস্ত্র ও ট্যাংকের সহায়তায় অনেকগুলো শহরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তারা সেখানকার একাধিক গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে এবং গ্রামে গ্রামে অভিযান চালাচ্ছে। সম্প্রতি যেসব জায়গাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী আক্রমন চালাচ্ছে সেখানকার বেশির ভাগ মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভামার জাতিগোষ্ঠীর সদস্য। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে এই জাতিগোষ্ঠীর সদস্যের সংখ্যাই বেশি। ভামারদের মধ্যে থেকে বিদ্রোহী তৎপরতা শুরু হওয়ায় এটা বোঝা যাচ্ছে যে সামরিক সরকারের প্রতি তাদের মনোভাব বদলে যাচ্ছে। সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের শীর্ষ সাতটি সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠীর নেতারা ওয়া রাজ্যের পাংসাংয়ে বৈঠকে বসার সিধান্ত নিয়েছে। ধারণা করা হয় এসব গোষ্ঠীগুলোর প্রায় ৩০ হাজার সশস্ত্র সদস্য রয়েছে। নিজেদের মধ্যে একতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি তাঁরা একত্রে বসে আরও সংগঠিত ভাবে কিভাবে আক্রমন পরিচালনা এবং নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী সংখ্যাগরিষ্ঠ ভামার গোত্রের সদস্যদের নিয়ে গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত। এত দিন সেনাবাহিনীকে ভামার অধ্যুষিত মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলে কোন সংঘাতে জড়াতে হয়নি। দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর পাশাপাশি এখন মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। ৬ দশক ধরে চলমান এই সংঘাতে এ পর্যন্ত অর্জন প্রায় নেই বললেই চলে। লাভের মধ্যে আছে হত্যা, রক্তপাত, সংঘর্ষ, ঘৃণা, বাস্তুচ্যুতি ও বিভিন্ন দেশে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী, যা কখনও কাম্য নয়। এই সহিংসতা বন্ধে সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে। মিয়ানমারের জনগণের মধ্যে বৌদ্ধ সংগঠনগুলোর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এই সংগঠনগুলো সামরিক সরকারে বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তাঁদের একছত্র ক্ষমতা চালেঞ্জের মুখে পড়বে। কট্টর বৌদ্ধ সংগঠনগুলো অনেকবছর ধরে সামরিক শাসকদেরকে সমর্থন দিয়ে আসছিল এবং অন্যান্য ধর্মের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর দমন পীড়নের বিষয়ে নীরব ছিল। মিয়ানমারের জাতিগুষ্ঠির মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহবস্থান ফিরিয়ে আনতে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।

আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে এখন দেশের অভ্যন্তরে চলমান সহিংসতা বন্ধ করে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত দেশের আভ্যন্তরীণ সংঘাত বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক শক্তিধর দেশগুলোকে ও এগিয়ে আসতে হবে। মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ সমস্যা মিটে গেলে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মানবিক সমস্যা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে গতি ফিরবে বলে আশা করা যায়। তাই মিয়ানমারের উচিত বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংঘাত পরিহার করে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর সাথে সংলাপের মাধ্যমে দ্রুত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

– ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) হাসান মোঃ শামসুদ্দীন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এম ফিল, মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক (সিবিজিএ)।

প্রকাশিত বার্তা ২৪ [লিংক]