Bangabandhu and Foreign Policy of Bangladesh: Diplomatic Philosophy, Achievements and Contemporary Relevance

649

সিবিজিএ ওয়ার্কিং পেপারটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রচিত। ২০২২ সাল থেকে ৪৭ বছর পূর্বে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ইতিহাসের এক নৃশংসতম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয়; একটি আদর্শ, একটি দর্শন। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি তার আরও একটি বড় পরিচয় তিনি ছিলেন বিচক্ষণ ও দূরদর্শী কুটনীতিক এবং তৎকালীন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনায়ক। তার বিচক্ষণ ও কৌশলী কুটনীতির ফলে বাংলাদেশ শুধু অতি অল্প সময়ের মধ্যে স্বাধীনতাই অর্জন করেনি; বরং বিশ্ব পরিমন্ডলে একটি সফল ও গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অবশ্যম্ভাবীভাবে, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অর্জন আর বঙ্গবন্ধুর তেজোদীপ্ত নেতৃত্ব একই সুতোই গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর বিশ্ব দর্শন, রাষ্ট্র চিন্তা, বিশ্বজনীনতা, মানবতাবাদ এবং জোট নিরপেক্ষতার নীতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মৌলিক উপাদান। অনস্বীকার্যভাবে, বঙ্গবন্ধুর কুটনৈতিক চিন্তাধারা ও মানবতার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তিতে পরিণত হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ও সফলতা এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তার নীতি ও দর্শনের উপর গবেষণা খুবই কম। অথচ বঙ্গবন্ধুর কুটনৈতিক প্রজ্ঞা এবং তার নীতি-দর্শন বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ব্যাপকভাবে প্রাসঙ্গিক। এই ওয়ার্কিং পেপারটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে গবেষণার একটি প্রয়াস। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং কুটনীতিতে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ও অর্জন নিয়ে আলোচনা করেছে। একইসাথে এই ওয়ার্কিং পেপারটি সমকালীন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর নীতি, আদর্শ ও দর্শনের প্রাসঙ্গিকতার উপর আলোকপাত করেছে।

[সম্পূর্ণ ওয়ার্কিং পেপারটি পড়তে এইখানে ক্লিক করুন]